পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খাবার - Ei Bangla
Ei Bangla ব্লগ পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খাবার

পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খাবার


পৃথিবীতে অনেক ধরনের খাবার রয়েছে। কিন্তু দামি খবার তো কিছু রয়েছে। এর মধ্যে সব থেকে দামি খাবারের নামটি তো সবারই জানতে ইচ্ছা করে। আপনাদের সুবিধার্থে দিলাম পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খাবার।

আরো পড়ুন- লাল কাঁকড়ার জন্য ভিআইপি রাস্তা, যেখানে মানুষের চলাচল নিষিদ্ধ

ব্ল্যাক ক্যাভিয়ার

২৫০ গ্রাম ক্যাভিয়ার খেতে হলে আপনাকে গুনতে হবে ১ হাজার ৮৭৫ ইউরো মানে টাকায় প্রায় ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৬০ টাকা। কি চেখে দেখবেন নাকি একবার। ক্যাভিয়ার আসলে স্টার্জন মাছের ডিম। এই মাছগুলোর দেখা মেলে উত্তর ও মধ্য এশিয়া, ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকায়। সবচেয়ে উৎকৃষ্টমানের ক্যাভিয়ার হলো ব্ল্যাক ক্যাভিয়ার। এই স্টার্জন মাছ শীতকালে নদীর মোহনায় পাওয়া যায়। শেক্সপিয়ার তার বিখ্যাত নাটক ‘হ্যামলেট’ এ ক্যাভিয়ারের কথা উল্লেখ করেছেন।

সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব ইউরোপে একটু মোটা ক্যাভিয়ার তাদের কাছে প্রধান খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। তারা ক্যাভিয়ার ভোদকা সহযোগে খেয়ে থাকে। ক্যাভিয়ার প্রস্তুতির সময় ডিমের গা থেকে সতর্কতার সঙ্গে আঁশ এবং চর্বি সরিয়ে ফেলা হয়। তারপর লবণ মাখিয়ে ছোট জারে কিংবা টিনে ভরে রাখা হয়। এর লবণাক্ত স্বাদ অনেক চমৎকার। দামি এ খাবার সবার ভাগ্যে জোটে না। ক্যাভিয়ার মূলত খাওয়া হয় ব্রেড বা টোস্ট দিয়ে কিংবা ড্রিংকের সঙ্গে ছোট ছোট বিস্কুটের ওপর রেখে। ধূসর, হালকা সবুজ ও কালো ক্যাভিয়ার ছাড়াও লাল ক্যাভিয়ার ও আছে।
এগুলো স্যামন মাছের ডিম দিয়ে বানানো হয়।

আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Post

স্বামীজীর ছায়ায় শ্রীঅরবিন্দস্বামীজীর ছায়ায় শ্রীঅরবিন্দ

রানা চক্রবর্তীঃ ‘রোমাঁ রোলাঁ’ শ্রীঅরবিন্দকে ‘নব ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবী’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। (Prophets of the New India) ‘বুদ্ধিজীবী’ বলতে যদি তাঁদেরই বোঝায় যাঁরা নিজেদের ‘বুদ্ধি’ ও ‘প্রজ্ঞা’ দিয়ে জগৎকে বুঝতে

শের খাঁ-হুমায়ুন সংবাদ’ (দ্বিতীয় তথা শেষ পর্ব)শের খাঁ-হুমায়ুন সংবাদ’ (দ্বিতীয় তথা শেষ পর্ব)

রানা চক্রবর্তীঃ চৌশা থেকে হুমায়ুন নিজের প্রাণ বাঁচিয়ে পালানোর পরে শের খাঁ বুঝতে পেরেছিলেন যে, তাঁকে আবার মোঘলদের সঙ্গে নিজের হিসাব মেটাতে হবে। তাই সেটার প্রস্তুতি হিসাবে সবার আগে তাঁর

মানুষ হতো বুনো শুকরের খাবার, প্রাচীন রোমের পাঁচটি জঘন্য অত্যাচারমানুষ হতো বুনো শুকরের খাবার, প্রাচীন রোমের পাঁচটি জঘন্য অত্যাচার

শাস্তি ঠিক কতটা ভয়ানক হতে পারে তা যদি আপনারা প্রাচীন রোমে শাস্তি কথা না জানেন তাহলে জানতেই পারবেন না। এই সাম্রাজ্যে এমন কিছু শাস্তির প্রচলন ছিল যা শুনলে শিউরে উঠবেন

‘রানী মুদিনীর গলির কথা’‘রানী মুদিনীর গলির কথা’

রানা চক্রবর্তীঃ একদা পুরানো কলকাতার যে গলিটির নাম ছিল ‘রানী মুদিনীর গলি’, পরবর্তীকালে সেটারই নাম হয়েছিল ‘ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান স্ট্রীট’, আর সেটারই বর্তমান নাম হল ‘সিরাজুদ্দৌল্লা সরণি’। কলকাতার কিছু রাস্তার নাম

দ্য হিস্ট্রি অফ ইসরায়েলে জামাই বলে উল্লেখ! মোসাদের এক দুর্ধর্ষ মিশরীয় এজেন্ট এঞ্জেলদ্য হিস্ট্রি অফ ইসরায়েলে জামাই বলে উল্লেখ! মোসাদের এক দুর্ধর্ষ মিশরীয় এজেন্ট এঞ্জেল

সময়টা ১৯৭৩ এর ৫ অক্টোবর, রাত একটার সময় কায়রো থেকে ইসরায়েলে তেল আভিবে মোসাদের হেড অফিসে ফোন আসে একটি। ফোনের অপরপ্রান্তে থাকা ব্যাক্তিটি নিজেকে এঞ্জেল হিসাবে পরিচয় দেয়, যা ব্যাক্তিটির

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে রামকৃষ্ণ মিশন, (দ্বিতীয় তথা শেষ পর্ব)ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে রামকৃষ্ণ মিশন, (দ্বিতীয় তথা শেষ পর্ব)

রানা চক্রবর্তীঃ ১৯০১ সালে গান্ধীজী বেলুড় মঠে স্বামীজীর সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন। তবে সেবারে শ্রান্ত-ক্লান্ত গান্ধীজীর সঙ্গে বিবেকানন্দের দেখা হয় নি। কারণ, স্বামীজী তখন অসুস্থ অবস্থায় কলকাতায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিন্তু