সামশেরগঞ্জে ভোট প্রচারে ভাঙন ইস্যুতে সুর চড়ালেন মালদহ দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী - Ei Bangla
Ei Bangla Bangla News (বাংলা খবর),পশ্চিমবঙ্গ সামশেরগঞ্জে ভোট প্রচারে ভাঙন ইস্যুতে সুর চড়ালেন মালদহ দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী

সামশেরগঞ্জে ভোট প্রচারে ভাঙন ইস্যুতে সুর চড়ালেন মালদহ দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী


রাজেন্দ্র নাথ দত্ত:মুর্শিদাবাদ : মুর্শিদাবাদ জেলার সামশেরগঞ্জে ভোট প্রচারে এসে ভাঙন ইস্যুতে বিদায়ী সংসদের উদাসীনতা নিয়ে আক্রমণ শানালেন মালদহ দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শাহনওয়াজ আলি রাইহান। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন সামশেরগঞ্জের বিধায়ক আমিরুল ইসলাম, ধুলিয়ান পুরসভার চেয়ারম্যান ইনজামামউল ইসলাম সহ তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। এদিন র‌্যালি ও জনসভা হয়। জনসভায় বিদায়ী কংগ্রেস সাংসদের কড়া সমালোচনা করেন শাহনওয়াজ সাহেব। পাশাপাশি এবারের কংগ্রেস প্রার্থীকেও কটাক্ষ করেন। এদিনের জনসভায় প্রায় শতাধিক কংগ্রেস কর্মী-সমর্থক শাসক দলে যোগ দেন বলে দাবি তৃণমূলের। তৃণমূল প্রার্থী বলেন, সাধারণ মানুষের ব্যাপক উচ্ছ্বাসই বলে দিচ্ছে, ফলাফল কী হতে চলেছে। যাঁরা বাংলার মানুষের ভোট নিয়ে পার্লামেন্টে ভাঙন সম্পর্কে কথা বলেন না, যাঁরা শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে কথা বলেন না, তাঁদের জনগণ এবার বিসর্জন দেবে।

এদিন সকাল থেকেই মূলত সামশেরগঞ্জের শহর এলাকায় প্রচার শুরু করেন তৃণমূল প্রার্থী। সিজে প্যাটেল মোড় থেকে র‌্যালি শুরু হয়। সেখান থেকে লালপুর ধুলিয়ান পুরসভা এলাকার ১৬ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ড সহ পাকুড়িয়া পঞ্চায়েতের ঘনশ্যামপুর, পূর্ব দেবীদাসপুর হয়ে ডিস্কো মোড় পর্যন্ত যায় র‌্যালি। প্রায় চার কিমি এই র‌্যালিতে রাস্তায় দু’ধারে প্রচুর সমর্থকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পরে বাসুদেবপুরে আমবাগানে জনসভায় যোগ দেন প্রার্থী। শাহনওয়াজ আলি বলেন, কংগ্রেসের সাংসদ সাধারণ মানুষের জন্য কিছুই করেননি। কংগ্রেসের প্রার্থী ডালুবাবুর ছেলে ঈশা খান চৌধুরী সোনার চামচ মুখে করে জন্মগ্রহণ করেছেন। তাই খেটে খাওয়া মানুষের জন্য কিছুই করতে পারবেন না।

শাহনওয়াজ বলেন, সামশেরগঞ্জের সঙ্গে আমার আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। নদী ভাঙন এই এলাকার মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা। কেন্দ্রীয় সরকার ও বিদায়ী সাংসদ ভাঙন নিয়ে কিছুই করেননি। সাংসদের ছেলেও কিছু করতে পারবে না। আমি সাধারণ পরিবারে মানুষ হয়েছি। ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের জন্য কীভাবে কাজ ছিনিয়ে আনতে হয় তা আমি জানি। 

দক্ষিণ মালদহ কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী ঈশা খান চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া জানার জন্য ফোন করা হয় এবং মেসেজ পাঠানো হয়। কিন্তু তিনি উত্তর দেননি।

এদিন বিকেলে জঙ্গিপুরে প্রচার চালান কংগ্রেস প্রার্থী মর্তুজা হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জঙ্গিপুর মহকুমা সভাপতি হাসানুজ্জামান বাপ্পা। এদিন রঘুনাথগঞ্জ দলীয় অফিস থেকে পায়ে হেঁটে প্রচার করেন প্রার্থী। রঘুনাথগঞ্জ ফুলতলা মোড় আলের উপর হয়ে গাড়িঘাটে প্রচার শেষ করেন। মুর্তুজা হোসেন বলেন, জঙ্গিপুরে আমি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে এলাকার মানুষের জন্য কাজ করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Post

মালদায় নীলগাই! বিরল প্রাণীটিকে দেখতে ভিড় স্থানীয়দেরমালদায় নীলগাই! বিরল প্রাণীটিকে দেখতে ভিড় স্থানীয়দের

মালদা,৭ মার্চঃ বর্তমানে নীলগাইয়ের সংখ্যা সারা পৃথিবীতে খুবই কমই এসেছে। বিপন্ন প্রায় প্রজাতিতে পরিণত হয়েছে এই নীলগাই। কিন্তু হঠাৎই যদি দেখেন আপনার বাড়ির চারপাশে একটি নীলগাই ঘুরে বেড়াচ্ছে ? ঠিক

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিচারিকার সঙ্গে সহবাস! গ্রেফতার ভাতারে সিপিএম নেতাবিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিচারিকার সঙ্গে সহবাস! গ্রেফতার ভাতারে সিপিএম নেতা

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিচারিকার সঙ্গে সহবাসের অভিযোগ উঠল পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের এক সিপিএম নেতার বিরুদ্ধে । বছর পঁচিশের ওই মহিলা বুধবার ভাতার থানার পুলিশের কাছে অভিযোগে জানিয়েছেন,বিয়ে করার প্রলোভন

এগরা-বজবজের পর এবার ইংরেজবাজার! বাজির দোকানে ভয়াবহ আগুন, ঝলসে মৃত্যু ১এগরা-বজবজের পর এবার ইংরেজবাজার! বাজির দোকানে ভয়াবহ আগুন, ঝলসে মৃত্যু ১

মালদা,২৩ মে : মালদহে বাজির দোকানে ভয়াবহ আগুন! মঙ্গলবার ইংরেজবাজার পুরসভার অধীন নেতাজি মার্কেটে বাজির দোকানে বিধ্বংসী আগুন লাগে। পুড়ে ছাই চারটি দোকান। মৃত এক। মঙ্গলবার ভোরে কার্বাইড ড্রাম নামানোর

পাড়ায় পাড়ায় গ্রীন ভলেন্টিয়ার! কারা এরা?পাড়ায় পাড়ায় গ্রীন ভলেন্টিয়ার! কারা এরা?

চোখ রাঙ্গাচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস। এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই নানান নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। তবে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশুরা।

আমি তো লিখতে জানি না স্যার! ED কে জানালো কেষ্টআমি তো লিখতে জানি না স্যার! ED কে জানালো কেষ্ট

কৃষক পরিবারে জন্ম। অল্প বয়সেই খেটে খাওয়ার ভাবনা বপন করে নিয়েছিলেন রন্ধ্রে রন্ধ্রে। পড়াশোনা নামক ‘বিলাসিতা’ তাঁর ক্লাস এইট পর্যন্তই। তারপরই ‘অফ টু’ রোজগারের ধান্দায় খোলা বাজারে। কখনও মুদি দোকানে

হাত নেই তাতে কী! পায়ে দিয়ে লিখেই মাধ্যমিক পাশ বর্ধমানের জগন্নাথহাত নেই তাতে কী! পায়ে দিয়ে লিখেই মাধ্যমিক পাশ বর্ধমানের জগন্নাথ

এইবাংলা ডেস্কঃ অসম্পূর্ণ হাত নিয়ে জন্মানো ছেলেকে ছেড়ে চলে গেছেন মা। ঠাকুমা ও পিসি তিল তিল করে বড় করেছেন সেই ছেলেকে। দুই হাত না থাকায় নাম রেখেছিলেন জগন্নাথ। খর্বকায় হাতে